২০২১ সালের এসএসসি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের ভূগোল এসাইনমেন্ট উত্তর

Shikha Songbad Thursday August 26, 2021

২০২১ সালের এসএসসি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের ভূগোল এসাইনমেন্ট উত্তর

২০২১ সালের এসএসসি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের ভূগোল এসাইনমেন্ট উত্তরঃ এসএসসি ২০২১ সালের ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও সমাধান। কোভিড-১৯ অতিমারির কারনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রণয়কৃত ২০২১ সালের সকল এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসুচির আলোকে নির্ধারিত গ্রিড অনুযায়ী ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান করা হয়েছে। সকল শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত সকল প্রকার বিধি নিষেধ অনুসরন করতে বলা হয়েছে। প্রতি সপ্তাহের মতো এই ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও সমাধান আমাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে ।

SSC Geography Assignment Answer 2021 6th week

কোভিড-১৯ মহামারীর কারনে, মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী এসএসসি ২০২১ সালের সকল শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের মোট ২৫ সপ্তাহ পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। প্রতি সপ্তাহের বিষয় নির্বাচন হবে গ্রিড অনুযায়ী। ৬ষ্ঠ সপ্তাহে তিনটি বিভাগের জন্য মোট ৮টি বিষয়ের উপর অ্যাসাইনমেন্ট নির্ধারন করা হয়েছে।

বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য জীব বিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিতের উপর অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান করা হয়েছে।

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ২টি বিষয়ের উপর অ্যাসাইনমেন্ট নির্ধারন করা হয়েছে। বিষয় দুটি হলো ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং ও হিসাববিজ্ঞান।

এবং মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশের অর্থনীতি, ভূগোল ও পরিবেশ এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা এই তিনটি বিষয়ের উপর অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান করা হয়েছে। নিচে সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও প্রশ্নের সমাধান পাওয়া যাবে।

এসএসসি ২০২১ সালের শিক্ষার্থীদের ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট

আপনারা যারা ২০২১ সালের এসএসসি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পাওয়ার জন্য ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করছেন। তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট এ ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসএসসি সকল অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান তুলে ধরা হয়েছে। আজকের পোস্ট এর মাধ্যমে খুব সহজেই এসএসসি ২০২১ এর সকল অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান সকল প্রশ্নের উত্তর জানতে পারবেন। তাই আজকের এই পোষ্ট মনোযোগ সহকারে পড়ুন আর নিচে থেকে দেখে নিন এসএসসি ২০২১ পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান।

বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড এসএসসি ২০২১ পরীক্ষার্থীদের জন্য আবারও শুরু করলো অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়া। ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদানের তারিখ ২৩ অগাস্ট ২০২১, স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের হাতে এসএসসি ২০২১ পরীক্ষার্থীদের ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট তুলে দিবে। পরবর্তী এক সপ্তাহের ভিতরে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান জমা দিতে হবে। তাই আমরা আপনাদের অতি দ্রুত এসএসসি ২০২১ এর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পেতে সাহায্য করবো।

২০২১সালের এসএসসি সকল এসাইনমেন্ট ৬ষ্ঠ সপ্তাহ

বর্তমানে দীর্ঘ সময় যাবত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়া চালু করেছে। তাই এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিভাগের/ব্যবসা বিভাগ’/এবং মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান তৈরি করে তাদের স্কুলে জমা দিতে হবে। আজকের এই পোস্টের তুলে ধরা হয়েছে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১। নিচে থেকে দেখে নিন এসএসসি সকল এসাইনমেন্ট সমাধান।

অনেকেই আছেন যারা এখনো এসএসসি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর খুঁজে পাননি। তাদের জন্য প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর তুলে ধরা হয়েছে আজকের এই পোস্টে। এখান থেকে আপনি অতি দ্রুত আপনার এসএসসি ৬ষ্ঠ সপ্তাহ এসাইনমেন্ট তৈরি করতে পারবেন। তাই নিচে থেকে দেখে নিন এসএসসি ২০২১ এসাইনমেন্ট উত্তর।

ভূগোল ও পরিবেশ


এসএসসি ভূগোল ও পরিবেশ চতুর্থ এসাইনমেন্ট মূল বইয়ের ষষ্ঠ অধ্যায়- বারিমন্ডল থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে এসএসসি ২০২১ সালের ৬ষ্ঠ সপ্তাহের ভূগোল অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও প্রশ্নের সমাধান পাওয়া যাবে। নিয়মিত ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন।

এসএসসি ভূগোল ও পরিবেশ ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট
এসএসসি ভূগোল ও পরিবেশ ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট

নির্দেশক প্রশ্নঃ

ক) বারিমন্ডল, মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের বর্রনা
খ) সমুদ্র তলদেশের ভূমিরূপ চিহ্নিতকরণ ও এদের বর্ননা
গ) সামুদ্রিক সম্পদের বিবরণ সহ বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক সম্পদ এর বর্ণনা

ভূগোল ও পরিবেশ উত্তর এসাইনমেন্ট উত্তর

বারিমন্ডলের ধারণাসহ সমুদ্রতলদেশের ভূমিরূপ ও সম্পদ সম্পর্কে প্রতিবেদন
ক) বারিমন্ডল, মহাসাগর, সাগর, উপসাগর এর বর্ণনা


বারিমণ্ডলের ধারণা (Concept of Hydrosphere)


Hydrosphere’-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। Hydro’ শব্দের অর্থ পানি এবং Sphere’ শব্দের অর্থ মণ্ডল। আমরা জানি পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি। এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। সুতরাং বারিমণ্ডল বলতে বােঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ (সারণি ১)। পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর)। মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায় যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস।

সারনী.jpg

মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর বারিমণ্ডলের উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ বিশাল লবণাক্ত জলরাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। পৃথিবীতে পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে, এগুলাে হলাে প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, উত্তর মহাসাগর এবং দক্ষিণ মহাসাগর (চিত্র ৬.১)। এর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর বৃহত্তম ও গভীরতম (সারণি ২)। আটলান্টিক মহাসাগর ভগ্ন উপকূলবিশিষ্ট এবং এটি অনেক আবদ্ধ সাগরের (Enclosed sea) সৃষ্টি করেছে। ভারত মহাসাগর এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ৬০° দক্ষিণ অক্ষাংশ থেকে এন্টার্কটিকার হিমভাগ পর্যন্ত দক্ষিণ মহাসাগরের অবস্থান। দক্ষিণ মহাসাগরের দক্ষিণে এন্টার্কটিকা মহাদেশ বছরের সকল সময় বরফে আচ্ছন্ন থাকে। উত্তর গােলার্ধের উত্তর প্রান্তে উত্তর মহাসাগর অবস্থিত এবং এর চারদিক স্থলবেষ্টিত।

মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তনবিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে। যথা— ভূমধ্যসাগর, লােহিত সাগর, ক্যরিবিয়ান সাগর, জাপান সাগর ইত্যাদি। তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে জল তাকে উপসাগর (Bay) বলে। যথা— বঙ্গোপসাগর, পারস্য উপসাগর ও মেক্সিকো উপসাগর ইত্যাদি। চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে হ্রদ (Lake) বলে। যথা— রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ ও আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ ইত্যাদি।

খ) সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপ

ভূপৃষ্ঠের উপরের ভূমিরূপ যেমন উঁচুনিচু তেমনি সমুদ্র তলদেশও অসমান। কারণ সমুদ্রতলে আগ্নেয়গিরি, শৈলশিরা, উচ্চভূমি ও গভীর খাত প্রভৃতি বিদ্যমান আছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। এ শব্দতরঙ্গ প্রতি সেকেন্ডে পানির মধ্য দিয়ে প্রায় ১,৪৭৫ মিটার নিচে যায় এবং আবার ফিরে আসে। ফ্যাদোমিটার (Fathometer) যন্ত্রটি দিয়ে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করা হয় । যথা—

(১) মহীসােপান (Continental shelf)

(২) মহীঢাল (Continental slope)

(৩) গভীর সমুদ্রের সমভূমি (Deep sea plains)

(৪) নিমজ্জিত শৈলশিরা (Oceanic ridges)

(৫) গভীর সমুদ্রখাত (Oceanic trench)

(১) মহীসােপান: পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে। এরূপে সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম নিমজ্জিত অংশকে মহীসােপান বলে। মহীসােপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ১৫০ মিটার। এটি ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে ।

মহীসােপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলােমিটার। মহীসােপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে উপকূলীয় ঢাল বলে। মহীসােপানের বিস্তৃতি সর্বত্র সমান নয়। উপকূলভাগের বন্ধুরতার উপর এর বিস্তৃতি নির্ভর করে। উপকূল যদি বিস্তিত ।

তবে ইউরােপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসােপান অবস্থিত। মহীসােপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম উত্তর অংশ উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দেখতে পাওয়া যায়। অথচ এর পশ্চিমে উপকূল বরাবর উত্তর-দক্ষিণ ভঙ্গিল রকি পর্বত অবস্থান করায় সেখানে মহীসােপান খুবই সংকীর্ণ। আফ্রিকা মহাদেশের অধিকাংশ স্থান মালভূমি বলে এর পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলের মহীসােপান খুবই সরু। স্থলভাগের উপকূলীয় অঞ্চল নিমজ্জিত হওয়ার ফলে অথবা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য হওয়ার কারণে মহীসােপানের সৃষ্টি হয়। এছাড়া সমুদ্রতটে সমুদ্রতরঙ্গও ক্ষয়ক্রিয়ার দ্বারা মহীসােপান গঠনে সহায়তা করে থাকে।

এসএসসি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের ভূগোল এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

(২) মহীঢাল: মহীসােপানের শেষ সীমা থেকে ভূভাগ হঠাৎ খাড়াভাবে নেমে সমুদ্রের গভীর তলদেশের সঙ্গে মিশে যায়। এ ঢালু অংশকে মহীঢাল বলে। সমুদ্রে এর গভীরতা ২০০ থেকে ৩,০০০ মিটার। এটা অধিক খাড়া হওয়ার জন্য খুব প্রশস্ত নয়। এটি গড়ে প্রায় ১৬ থেকে ৩২ কিলােমিটার প্রশস্ত। মহীঢালের উপরিভাগ সমান নয়। অসংখ্য আন্তঃসাগরীয় গিরিখাত অবস্থান করায় তা খুবই বন্ধুর প্রকৃতির। এর ঢাল মৃদু হলে জীবজন্তুর দেহাবশেষ, পলি প্রভৃতির অবক্ষেপণ দেখা যায়।

(৩) গভীর সমুদ্রের সমভূমি: মহীঢাল শেষ হওয়ার পর থেকে সমুদ্র তলদেশে যে বিস্তৃত সমভূমি দেখা যায় তাকে গভীর সমুদ্রের সমভূমি বলে। এর গড় গভীরতা ৫,০০০ মিটার। এ অঞ্চলটি সমভূমি নামে খ্যাত হলেও প্রকৃতপক্ষে তা বন্ধুর। কারণ গভীর সমুদ্রের সমভূমির উপর জলমগ্ন বহু শৈলশিরা ও উচ্চভূমি অবস্থান করে।

(৪) নিমজ্জিত শৈলশিরা: সমুদ্রের অভ্যন্তরে অনেকগুলাে আগ্নেয়গিরি অবস্থান করছে। ঐসব আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা বেরিয়ে এসে সমুদ্রগর্ভে সঞ্চিত হয়ে শৈলশিরার ন্যায় ভূমিরূপ গঠন করেছে। এগুলােই নিমজ্জিত শৈলশিরা নামে পরিচিত। নিমজ্জিত শৈলশিরাগুলাের মধ্যে মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য।

(৫) গভীর সমুদ্রখাত: গভীর সমুদ্রের সমভূমি অঞ্চলের মাঝে মাঝে গভীর খাত দেখা যায়। এ সকল খাতকে গভীর সমুদ্রখাত বলে। পাশাপাশি অবস্থিত মহাদেশীয় ও সামুদ্রিক প্লেট সংঘর্ষের ফলে সমুদ্রখাত প্লেট সীমানায় অবস্থিত। এ প্লেট সীমানায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি অধিক হয় বলেই এ সকল খাত সৃষ্টি হয়েছে। এ খাতগুলাে অধিক প্রশস্ত না হলেও খাড়া ঢালবিশিষ্ট। এদের গভীরতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫,৪০০ মিটারের অধিক।

প্রশান্ত মহাসাগরেই গভীর সমুদ্রখাতের সংখ্যা অধিক। এর অধিকাংশই পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। এ । সকল গভীর সমুদ্রখাতের মধ্যে গুয়াম দ্বীপের ৩২২ কিলােমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত মারিয়ানা খাত (Mariana trench) সর্বাপেক্ষা গভীর। এর গভীরতা প্রায় ১০,৮৭০ মিটার এবং এটাই পৃথিবীর গভীরতম খাত। এছাড়া আটলান্টিক মহাসাগরের পাের্টোরিকো খাত (৮,৫৩৮ মিটার), ভারত মহাসাগরের শুন্ডা খাত প্রভৃতি উল্লেখযােগ্য।

এসএসসি ২০২১ অ্যাসাইনমেন্ট ভূগোল ৬ষ্ঠ সপ্তাহের উত্তর

গ) সামুদ্রিক সম্পদ ও বঙ্গোপসাগরের সম্পদের বিবরণ


সামুদ্রিক সম্পদ


পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, পৃথিবীতে মানবজাতির জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস ও জ্বালানি তেলের সিংহভাগ সমুদ্র থেকে উৎপাদিত হচ্ছে। ব্লু-ইকোনমির ওপর ভিত্তি করে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, জাহাজ চলাচল, জৈবপ্রযুক্তি, খনিজ পদার্থ উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সামুদ্রিক পণ্য উৎপাদন কারখানা, পর্যটন ও অবকাশ কেন্দ্র, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন সম্ভাবনার ক্ষেত্র ক্রমেই বেড়ে চলছে।

খাদ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতিরও যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। অনেক সামুদ্রিক মাছ, উদ্ভিদ ও প্রাণীতে বিভিন্ন ধরনের দুর্লভ পুষ্টি উপাদান রয়েছে। দৃশ্যমান জলাভূমি ও স্থলসীমায় বিদ্যমান প্রাকৃতিক সম্পদের মাধ্যমে ওই পুষ্টি উপাদানের চাহিদা পূরণ করা অসম্ভব।

সামুদ্রিক জলজ উদ্ভিদ নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইডের শোষণ বাড়িয়ে অক্সিজেনের পরিমাণও বাড়াতে সাহায্য করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, সমুদ্রে বিদ্যমান প্লাংটন ৫০ শতাংশের বেশি অক্সিজেন পৃথিবীতে সরবরাহ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে মানবসৃষ্ট কার্বনের প্রায় অর্ধেক সমুদ্রে বিদ্যমান জলজ উদ্ভিদ কর্তৃক শোষিত হচ্ছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখছে। এ পদ্ধতিটি বৈজ্ঞানিকভাবে ‘ব্লু-কার্বন ইকোসিস্টেম’ নামে পরিচিত।

বঙ্গোপসাগরের সম্পদের বিবরণ


বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমা মৎস্য সম্পদ ও জলজ প্রাণীর এক বিশাল ভাণ্ডার। এ জলসীমায় রয়েছে ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ও ৩৭ প্রজাতির চিংড়ি। আছে কাঁকড়া, কচ্ছপ, কুমির, হাঙর, সি-আরসিম, সি-কুকুমবার, জেলি ফিশ, শামুক, ঝিনুক। রয়েছে নানা পুষ্টিগুণসম্পন্ন আগাছা। কিন্তু এগুলো রক্ষণাবেক্ষণে নেই সরকারি কোনো উদ্যোগ। আহরণ, সংরক্ষণ ও আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে এসব সামুদ্রিক সম্পদ রপ্তানি করে দেশ অর্জন করতে পারে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। আয় করতে পারে বিপুল রাজস্ব। শক্তিশালী হতে পারে দেশের অর্থনীতি। বঙ্গোপসাগরের তলদেশে যে খনিজ সম্পদ আছে তা পৃথিবীর অন্য কোনো সাগর, মহাসগর, উপসাগরে নেই।

মণি, মুক্তা, স্বর্ণ, লোহা, তামা, রুপা, প্রবালসহ বিভিন্ন মূল্যবান সম্পদ এখানে রয়েছে বলে প্রাচীন ভারতবর্ষের পৌরাণিকে বঙ্গোপসাগরের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘রত্নাকার’। এরই মধ্যে বেশ কিছু গ্যাসের খনির সন্ধান মিলেছে। গ্যাস উত্তোলন করে জাতীয় গ্রিডে সংযোগ দেওয়ার কাজও চলছে। বাংলাদেশের জলসীমায় রয়েছে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক আগাছা। এগুলো ব্যবহার হতে পারে মানুষের খাদ্য হিসেবে। কিংবা প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা যেতে পারে নানা ধরনের ওষুধ। বিদেশে এই আগাছার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ কচ্ছপ, কুমির ও হাঙর।

বিদেশে এগুলোর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সামুদ্রিক কচ্ছপ উচ্চ প্রোটিনসম্পন্ন। ফলে বিদেশিরা এটিকে খাবার হিসেবে গ্রহণ করে থাকে। এ ছাড়া তেল ও ওষুধের কাঁচামাল হিসেবেও ব্যবহার করা হয় কচ্ছপ, কুমির ও হাঙর। সামুদ্রিক সম্পদের মধ্যে হাঙর হলো উল্লেখযোগ্য মূল্যবান একটি সম্পদ। হাঙরের পাখনা বেশ মূল্যবান। এর পাখনা বিদেশে স্যুপ ও বেকারির তৈরি খবারের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া হাঙরের লিভার অত্যন্ত মূল্যবান।

২০২১ সালের এসএসসি সকল এসাইনমেন্ট উত্তর ৬ষ্ঠ সপ্তাহ

প্রিয় এসএসসি ২০২১ সালের শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমাদের ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রকাশিত হয়েছে৷ নিচে ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক দেওয়া হলো ভালো করে দেখে নিন।

৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট এর বিষয়উত্তর/সমাধান লিংক
জীব বিজ্ঞানউত্তর লিংক
উচ্চতর গণিতউত্তর লিংক
রসায়নউত্তর লিংক
ফিন্যান্স ও ব্যাংকিংউত্তর লিংক
হিসাববিজ্ঞানউত্তর লিংক
অর্থনীতিউত্তর লিংক
ভূগোল ও পরিবেশউত্তর লিংক
পৌরনীতি ও নাগরিকতাউত্তর লিংক
এসএসসি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট বিষয় ও উত্তর

আশা করি আজকের পোস্ট এর মাধ্যমে আপনারা এসএসসি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান সকল প্রশ্নের উত্তর লিংক খুঁজে পেয়েছেন। আজকের এই পোস্ট সবার সাথে শেয়ার করুন যাতে সবাই ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর জানতে পারে। পরবর্তী সপ্তাহের সকল বিষয় এর এসাইনমেন্ট সমাধান জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

Apply For jobs 24

Never miss a job opportunity

Get Apply For Jobs 24 on your phone
  • Access 1000s of jobs, on the go
  • Filtering to find the jobs that suit you
  • Apply directly and in real time
  • Applyforjobs24.Com Is A Fast Growing Bangladeshi Job Portal That Helps Jobseekers From All Sectors And Experience Levels, Such As Govt. And NGO. Jobs, Multi-National Jobs, Part-Time Jobs Part-Time Jobs (Especially Meant For..

    Read More About
    FOLLOW
    Download Mobile App