এইচএসসি ২০২২ অর্থনীতি ২য় পত্র এসাইনমেন্ট উত্তর ৭ম সপ্তাহ

Shikha Songbad Thursday September 2, 2021

এইচএসসি ২০২২ অর্থনীতি ২য় পত্র এসাইনমেন্ট উত্তর ৭ম সপ্তাহ: এইচএসসি এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ – ৭ম সপ্তাহ – HSC Assignment For Examine 2022. মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ২৯/০৮/২০২১ ইং তারিখে প্রকাশিত ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রণীত ৭ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান নিচে ৭ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট এর বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর/সমাধান দেখুন:

এইচএসসি এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ – ৭ম সপ্তাহ – HSC Assignment

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ৭ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট নির্দেশনা

উপযুক্ত বিষয় ও সূত্রের প্রেক্ষিতে জানানাে যাচ্ছে যে, চলমান কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মােতাবেক পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রমে পুরােপুরি সম্পৃক্তকরণ ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের আওতায় আনয়নের জন্য ৭ম সপ্তাহের ইংরেজি-১ম পত্র,পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র,অর্থনীতি-২য় পত্র,পৌরনীতি-২য় পত্র,যুক্তিবিদ্যা-২য় পত্র,হিসাববিজ্ঞান-২য় পত্র,খাদ্য ও পুষ্টি -২য় পত্র ।

বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন রুব্রিক্সসহ প্রণয়ন করা হয়েছে; যা এতদসঙ্গে প্রেরণ করা হলাে। ৭ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম ৩১ আগস্ট, ২০২১ খ্রি. সােমবার থেকে শুরু হবে
কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে পালনপূর্বক বর্ণিত বিষয়ে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরােধ করা হলাে।

HSC 7th Week Economics Assignment Answer 2022

এইচএসসি এসাইনমেন্ট৭ম সপ্তাহ
বিষয়অর্থনীতি ২য় পত্র অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর
প্রকাশের তারিখ২৯-০৮-২০২১
শ্রেণিউচ্চ মাধ্যমিক/HSC
অধিদপ্তরমাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
ওয়েবসাইটwww.dshe.gov.bd
অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু৩১ আগস্ট, ২০২১ খ্রি. সােমবার থেকে শুরু হবে
এইচ এস সি ৭ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট উত্তর
৭ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট
HSC Assignment

২০২২ সালের এইচএসসি সকল এসাইনমেন্ট ৭ম সপ্তাহ

বর্তমানে দীর্ঘ সময় যাবত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়া চালু করেছে। তাই এইচএসসি শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান তৈরি করে তাদের স্কুলে জমা দিতে হবে। আজকের এই পোস্টের তুলে ধরা হয়েছে ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২। নিচে থেকে দেখে নিন এইচএসসি সকল এসাইনমেন্ট সমাধান।

অনেকেই আছেন যারা এখনো এইচএসসি ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর খুঁজে পাননি। তাদের জন্য প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর তুলে ধরা হয়েছে আজকের এই পোস্টে। এখান থেকে আপনি অতি দ্রুত আপনার এইচএসসি ৭ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট তৈরি করতে পারবেন। তাই নিচে থেকে দেখে নিন এইচএসসি ২০২২ এসাইনমেন্ট উত্তর।

HSC-2022-6Week-assignment-page-002
HSC-2022-7Week-assignment-page-002

বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি ২০২২ পরীক্ষার্থীদের জন্য আবারও শুরু করলো অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়া। ৭ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদানের তারিখ ২৯ অগাস্ট ২০২১, স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের হাতে এইচএসসি ২০২২ পরীক্ষার্থীদের ৭ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট তুলে দিবে। পরবর্তী এক সপ্তাহের ভিতরে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান জমা দিতে হবে। তাই আমরা আপনাদের অতি দ্রুত এইচএসসি ২০২২ এর ৭ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পেতে সাহায্য করবো।

এইচএসসি ২০২২ অর্থনীতি ২য় পত্র এসাইনমেন্ট উত্তর ৭ম সপ্তাহ

এইচএসসি ইংরেজি এসাইনমেন্ট উত্তর ৭ম সপ্তাহ

অর্থনীতি এসাইনমেন্ট উত্তর ৭ম সপ্তাহ

অ্যাসাইনমেন্টঃ ০৪

তৃতীয় অধ্যায়: বাংলাদেশের শিল্প

অ্যাসাইনমেন্টঃ

বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের উপর ভিত্তি করে শিল্পের শ্রেণিবিন্যাস কর। দ্রুত শিল্পোন্নয়নে কোন ধরণের শিল্প স্থাপন করা যুক্তিযুক্ত মতামত দাও।

এইচএসসি অর্থনীতি এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

শিখনফলঃ

শিখনফলঃ

  • বাংলাদেশের শিল্পের শ্রেণিবিন্যাস ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • রপ্তানিমুখী শিল্পের তালিকা প্রস্তুত করতে পারবে।
  • সরকারি ও বেসরকারি অংশিদারিত্বে শিল্পোন্নয়নের সরকারি নীতির যথার্থতা বিশ্লেষণ করতে পারবে।

HSC 2022 Economics Assignment Answer 7th week

নির্দেশনাঃ

  • শিল্পের শ্রেণিবিন্যাস
  • রপ্তানিমুখী শিল্প
  • সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের শিল্পোন্নয়নে সরকারি নীতির যথার্থতা বিশ্লেষণ

এইচএসসি অর্থনীতি এসাইনমেন্ট উত্তর pdf ডাউনলোড

বাংলাদেশে শিল্প কাঠামাের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে,আমাদের শিল্পখাতে তিনটি উপখাত রয়েছে, যথা-

(১) বৃহৎ শিল্প

(২) ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ও

(৩) কুটির শিল্প।

নিম্নে বাংলাদেশে শিল্পখাতে এই তিন ধরনের শিল্পের অবস্থান ও এদের পার্থক্যসমূহ আলােচনা করা হল:

১। বৃহৎ শিল্প: বাংলাদেশ শিল্প আইন অনুযায়ী যে শিল্প করখানা ২৩০ জনের অধিক শ্রমিক কাজ করে তাকে বৃহৎ শিল্প বলে। অন্যদিকে দেশের ২০০৫ সনের শিল্পনীতিতে সে সমস্ত শিল্পের জমি এবং স্থায়ীভবন ব্যতিরেকে অন্যান্য মােট স্থায়ী বিনিয়ােগ ১০ কোটি টাকার বেশি তাদেরকে বৃহদায়তন শিল্প বলা হয়েছে। বৃহৎ শিল্প কারখানায় দক্ষ শ্রমিক, প্রচুর মূলধন ও জটিল যন্ত্রপাতির সাহায্যে বিপুল পরিমাণের দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন করা হয়। মূল্য সংযােজন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বৃহদায়তন শিল্পের অবদান: মূল্য সংযােজনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বৃহৎ শিল্পের গুরুত্ব সর্বাধিক। বাংলাদেশে শিল্পখাতে বার্ষিক গড়ে চলতি মূল্যে যে পরিমান মূল্য সংযােজিত হয় তার প্রায় ৪৮ শতাংশ বৃহদায়তন শিল্প থেকে পাওয়া যায়। তবে বৃহৎ শিল্পে মূল্য সংযােজনের পরিমাণ সর্বাধিক হলেও এই উপখাতে কর্মসংস্থানের পরিমান তুলনামূলক ভাবে কম। বাংলাদেশের শিল্পখাতে নিয়ােজিত শ্রমশক্তির মাত্র ১৩ শতাংশ বৃহৎ শিল্পে নিয়ােজিত রয়েছে।

২। মাঝারি শিল্প: ২০০৫ সনের শিল্পনীতিতে যে সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের জমি এবং স্থায়ীভবন ব্যতিরেকে অন্যান্য মােট স্থায়ী বিনিয়ােগ অনুর্ধ্ব ১.৫০ কোটি টাকা হতে ১০ কোটি টাকা সেগুলােকে ক্ষুদ্র শিল্প বলা হয়। সিরামিক অটোমােবাইলসহ হাল্কা ইঞ্জিনিয়ারিং, সিল্ক শিল্প, কোল্ড স্টোরেজ, ফার্ণিচার, ইত্যাদি মাঝারি শিল্পের অন্তর্গত।

। ক্ষুদ্র শিল্প: বাংলাদেশের শিল্প আইন অনুযায়ী যে সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিনিয়ােগের পরিমান অনুর্ধ ১০ লক্ষ টাকা সেগুলােকে ক্ষুদ্র শিল্প বলা হয়। ২০০৫ সনের শিল্পনীতি অনুযায়ী যে সব শিল্প প্রতিষ্ঠানে জমি ও কারখানা ভবন ব্যতিরেকে অন্যান্য স্থায়ী সম্পদের মূল্য/প্রতিস্থাপন ব্যয় অনধিক ১.৫০ কোটি টাকা। সে গুলােকে ক্ষুদ্র শিল্প বলা হয়। ছােট ছােট ফ্যাক্টরিতে ক্ষুদ্র শিল্পের কাজ চলে এবং সেখানে হাল্কা যন্ত্রপাতি ও বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহৃত হয়। হােসিয়ারী শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, দেশলাই শিল্প ইত্যাদি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র শিল্পের উদাহরণ। মূল্য সংযােজন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবদান: মূল্য সংযােজনের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। দেশের শিল্পখাতে বার্ষিক গড়ে চলতি মূল্যে যে পরিমান মূল্য সংযােজিত হয় তার প্রায় ৩৫ শতাংশ এই শিল্প থেকে পাওয়া যায়। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও এই উপখাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দেশের শ্রমশক্তির প্রায় ২৬ শতাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে নিয়ােজিত রয়েছে।

৪। কুটির শিল্প: সাধারণত মালিকের গ্রামেই স্থাপিত হয় এবং পরিবারের সদস্যদের সাহায্যে এর উৎপাদন কাজ পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের ১৯৯১ সনের লক্ষ টাকা সেগুলােকে কুটির শিল্প বলে। হস্ত চালিত তাঁত শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, মৃৎ শিল্প, বাঁশ ও বেত শিল্প, কাষ্ঠ শিল্প, বিড়ি শিল্প প্রভৃতি ত আমাদের কুটির শিল্পের উদাহরণ।

রপ্তানিমুখী শিল্পঃ

পােশাক যে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানিপণ্য, এ কথা আজ আর কারও অজানা নয়। কিন্তু আমরা কয়জন জানি যে রপ্তানিঝুড়িতে অল্প পরিচিত বা অপরিচিত অনেক পণ্যও আছে। এসব পণ্য থেকে রপ্তানি আয়ও কম নয়। একটা উদাহরণ দিলেই বিষয়টা আঁচ করা যাবে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরাের (ইপিবি) তথ্য বলছে, বাংলাদেশ থেকে গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭১৬ কোটি টাকার বাইসাইকেল রপ্তানি হয়েছে। মেঘনা গ্রুপ ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপসহ কয়েকটি বড় কারখানা রয়েছে। সাইকেল উৎপাদনের। কিন্তু গত অর্থবছর টুপি রপ্তানি হয়েছে সাইকেলের দ্বিগুণেরও বেশি। এই অর্থবছরে ২০ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ডলারের টুপি রপ্তানি হয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা।


ঠিক এ রকম প্রধান রপ্তানি পণ্য পােশাকের পাশাপাশি দেশের আনাচকানাচে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে নানামুখী রপ্তানি পণ্যের ছােট ছােট কারখানা। কেউ দেশীয় কাঁচামাল দিয়ে, আবার কেউ বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করে এসব কারখানা গড়ে তুলেছেন।কোনাে কোনাে পণ্যের রপ্তানির পরিমাণ খুব বেশি নয়, কোনাে কোনাে পণ্যের রপ্তানির পরিমাণ আবার বেশ ভালােই। কিছু পণ্য আছে বিশ্ববাজার খুব বড় নয়, আবার কিছু আছে অনেক বড় বাজার, তুলনায় বাংলাদেশ রপ্তানি করছে সামান্যই। কমবেশি যা-ই হােক না কেন, দিন যাচ্ছে আর রপ্তানির ঝুড়িটি বড় হচ্ছে বাংলাদেশের। এতে কর্মসংস্থান যেমন বাড়ছে, অর্জিত হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রাও। প্রতিবেশী দেশের পাশাপাশি ইউরােপ, আমেরিকা, আফ্রিকার দেশগুলােতেও যাচ্ছে বাংলাদেশের অপ্রচলিত পণ্য। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী বিদায়ী অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে আয় করেছে। “

গত অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের হিসাব

৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলার বা ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৭ কোটি ৮৪ হাজার টাকা। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা আরও বেশি ৪ হাজার ৫৫০ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের মােট রপ্তানির ৮৪ শতাংশই পােশাক দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। এ খাতের আয় মােট রপ্তানির মাত্র ২ দশমিক ৫২ শতাংশ। শীর্ষ ১০ রপ্তানি খাতের মধ্যে আরও আছে পাট ও পাটজাত পণ্য, হােম টেক্সটাইল, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য,হালকা প্রকৌশল পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য, মৎস্য, ওষুধ ও সিরামিক। তাহলে অপ্রচলিত পণ্য থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় কত। ইপিবির কাছে এর আলাদা কোনাে হিসাব নেই। এ নিয়ে দপ্তরটির ভালাে কোনাে গবেষণাও নেই।


তবে গত অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশের আয় হয়েছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার সমান। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন,খুবই ভালাে দিক যে দেশের আনাচকানাচে অনেক রপ্তানিমুখী পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে, যেগুলাে আবার বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। যদি কোনাে পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা দেখা যায়, ইপিবি সেই পণ্যের জন্য গবেষণা করে, নানা সহযােগিতার হাতও বাড়ায়। যেমন রপ্তানিমুখী জাহাজশিল্পের জন্য ইপিবি গবেষণা করেছে। সাইকেলের চেয়েও টুপি রপ্তানির পরিমাণ বেশি হওয়ার চিত্রটিকে বিশ্বাসযােগ্য মন্তব্য করে ।

এসএসসি অর্থনীতি এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

এ ধরনের ১০০-এর বেশি পণ্য রপ্তানি হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু পণ্য রপ্তানির বিপরীতে ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকিও দিয়ে থাকে সরকার। একদম অপরিচিত পণ্যও রয়েছে এ তালিকায়। যেমন শরীর থেকে রক্ত নেওয়ার পাইপ (ব্লাড টিউবিং সেট), অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) সি আর কয়েল, তামার তার ইত্যাদি। এসব পণ্যের কারখানা সাধারণত বড় হয়, বিনিয়ােগও একটু বেশি। তালিকার অন্য কারখানাগুলাে ছােট ছােট। আবার এমন পণ্যও রয়েছে, যার একটিমাত্র কারখানা রয়েছে দেশে। ইপিবির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাজুবাদাম আমদানি করে আবার রপ্তানিও করে বাংলাদেশ। মাঝে প্রক্রিয়াজাত করার পর কিছুটা মূল্য সংযােজিত হয়। রেশম, রাবার, ফেলে দেওয়া কাপড় থেকে তৈরি পণ্য, ভবন নির্মাণসামগ্রী, সিরামিক পণ্য, গ্লাস, তােয়ালে ইত্যাদিও রপ্তানি করা হয়। মসলা আমদানিকারক বাংলাদেশ বার মসলা রপ্তানিকারকও। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয় উল্লেখ করার মতাে

সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের শিল্পোন্নয়নে সরকারি নীতির যথার্থতা

আবার গত অর্থবছরে ৪ কোটি ২৯ লাখ ৩০ হাজার ডলারের কাঁকড়া রপ্তানি হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩৬৫ কোটি টাকার সমান। এ ছাড়া রপ্তানি হয়েছে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের তামার তার, ১ কোটি ১৬ লাখ ডলারের গলফ খেলার স্টিক, ৫৪ লাখ ডলারের কৃত্রিম ফুল। রপ্তানির পূর্ণাঙ্গ চিত্র ইপিবিতে পাওয়া যায় না। এখনাে ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে পরিচালিত হয় বলে রপ্তানিকারকদের কোনাে তালিকাও নেই দপ্তরটির কাছে। রপ্তানি ও রপ্তানিকারকদের বিশদ তথ্য রয়েছে বরং জাতীয় রাজস্ব বাের্ডে (এনবিআর), যে তথ্য আবার সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য নয়। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গােলাম মােয়াজ্জেম বলেন, বহু বছর ধরেই রপ্তানি বহুমুখীকরণের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এর জন্য যথেষ্ট কাজ নেই সরকারের। প্রণােদনা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিও এমনকি খাতভিত্তিক। করণীয় কী তাহলে, এমন প্রশ্নের জবাবে গােলাম মােয়াজ্জেম বলেন, বৈশ্বিক একটি গবেষণায় উঠে আসে যে অপ্রচলিত পণ্যের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার গড় বয়স এক বছর, তবে বাংলাদেশে তা ১ বছর ৮ মাস। সে হিসাবে ভালাে। আমার পরামর্শ হচ্ছে, সনাতনী রপ্তানি সহায়তা থেকে বের হয়ে উদ্যোক্তাকেন্দ্রিক সহায়তা দিতে হবে। কারণ, এই উদ্যোক্তাদের কারখানাগুলাে ক্ষুদ্র খাত হিসেবেও স্বীকৃতি পায়নি।

বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রমঃ


১। আর্থ-সামাজিক অবকাঠামাে গঠনঃ অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আবশ্যকীয় আর্থ-সামাজিক অবকাঠামাে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। বাংলাদেশ সরকার রাস্তাঘাট, সেতু, বাঁধ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল প্রভৃতি নির্মাণ এবং যােগাযােগ ও পরিবহন ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রভৃতি ব্যবস্থার মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামাে গড়ে তুলতে উল্লেখযােগ্য ভূমিকা রাখছে।


২। অর্থসংস্থান: বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল অর্থসংস্থান। সরকার দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস এবং বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থসংস্থান নিশ্চিত করে বিশেষভাবে দায়িত্ব পালন করে।


৩। আয়-বৈষম্য হ্রাস: দেশের আয় বৈষম্য হ্রাস করার মাধ্যমে জনগনের সঞ্চয় ও ভােগ প্রবণতা বাড়িয়ে সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে। বাংলাদেশ সরকারের সংস্কার নীতির মাধ্যমে বিত্ত”রাগিয়ে আয় বৈষম্য হ্রাস করে। লােকদের নিকট থেকে আদায়কৃত অর্থ দরিদ্র ও স্বল্পবিত্তের লােকদের কাজে


৪। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি: বাংলাদেশ সরকার ক্রমবর্ধমান কর্মসংস্থান ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি বৃদ্ধির চেষ্টা চালাচ্ছে।


৫। উন্নয়নের নীতি প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রক্রিয়া গতিশীল করার জন্য সরকার উন্নয়নের নীতি প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের সম্ভব হয়। বাংলাদেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়ােগের প্রসারকল্পে সরকার বিনিয়ােগ-বান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন, আইন ও বিধিগত সংস্কার তথা সার্বিক বিনিয়ােগ পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করে

এইচএসসি বিএম সকল এসাইনমেন্ট উত্তর ৪র্থ সপ্তাহ

প্রিয় এইচএসসি ২০২১ সালের শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমাদের ৪র্থ সপ্তাহর এসাইনমেন্ট প্রকাশিত হয়েছে৷ নিচে ৪র্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক দেওয়া হলো ভালো করে দেখে নিন।

সপ্তাহের এসাইনমেন্ট এর বিষয়উত্তর/সমাধান লিংক
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-১উত্তর লিংক
হিসাব বিজ্ঞান নীতি ও প্রয়োগ-১উত্তর লিংক
হিসাব বিজ্ঞান নীতি ও প্রয়োগ-২উত্তর লিংক
মার্কেটিং নীতি ও প্রয়োগ-২উত্তর লিংক

এইচএসসি বিএম ৫ম সপ্তাহ সকল এসাইনমেন্ট উত্তর

প্রিয় এইচএসসি ২০২১ সালের শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমাদের ৫ম সপ্তাহর এসাইনমেন্ট প্রকাশিত হয়েছে৷ নিচে ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক দেওয়া হলো ভালো করে দেখে নিন।

সপ্তাহের এসাইনমেন্ট এর বিষয়উত্তর/সমাধান লিংক
হিসাববিজ্ঞান নীতি ও প্রয়োগ-১উত্তর লিংক
কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশন-১উত্তর লিংক
HSC BM এইচএসসি বিএম এ্যাসাইনমেন্ট

৬ষ্ঠ সপ্তাহের সকল এসাইনমেন্ট উত্তর

২০২২ এইচএসসি ৭ম সপ্তাহ সকল এসাইনমেন্ট উত্তর

৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট এর বিষয়উত্তর/সমাধান লিংক
ইংরেজি-১ম পত্র উত্তর লিংক
পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র উত্তর লিংক
অর্থনীতি-২য় পত্র উত্তর লিংক
পৌরনীতি-২য় পত্র উত্তর লিংক
যুক্তিবিদ্যা-২য় পত্র উত্তর লিংক
হিসাববিজ্ঞান-২য় পত্র উত্তর লিংক
খাদ্য ও পুষ্টি -২য় পত্র উত্তর লিংক

সারসংক্ষেপ

Apply For jobs 24

Never miss a job opportunity

Get Apply For Jobs 24 on your phone
  • Access 1000s of jobs, on the go
  • Filtering to find the jobs that suit you
  • Apply directly and in real time
  • Applyforjobs24.Com Is A Fast Growing Bangladeshi Job Portal That Helps Jobseekers From All Sectors And Experience Levels, Such As Govt. And NGO. Jobs, Multi-National Jobs, Part-Time Jobs Part-Time Jobs (Especially Meant For..

    Read More About
    FOLLOW
    Download Mobile App