Class 6 Six Assignment Question & Answer

Class 6 Six Assignment Question & Answer Bangla, English, Maths, Science, With All Subject Full 1st Week Assignment Class Six (6) Get Solution. Class six All Subject Assignment solution with the right answer. Class 6 assignment answer 2021 for 1st week will available soon on applyforjobs24.com. Today we will try to give you Class 6 Assignment solution 2021. In this post, we have arranged for your class 6 all subject assignment solution (1st Week) so stay with us

Class Six Bangla Assignment Question

১. নিচের রচনাংশটুকু চলিত রীতিতে রুপান্তর কর ?

তারপর স্বীয় দূত পূর্বে যে টাকওয়ালা ছিল, তাহার কাছে গেলেন। সেখানে গিয়া আগের মতো একটি গাভি চাহিলেন। সেও ধবল রোগীর মতো তাহাকে কিছুই দিলনা । তখন স্বর্গীয়দূত বলিলেন, আচ্ছা, যদি তুমি মিথ্যা বলিয়া থাক, তবে যেমন ছিলে আল্লাহ তোমাকে আবার তেমনি করিবেন।

তারপর স্বর্গীয়দূত পূর্বে যে অন্ধছিল, তাহার কাছে গিয়া বলিলেন, আমি এক বিদেশি । বিদেশে আমার সম্বল ফুরাইয়া গিয়াছে। এখন আল্লাহর দয়া ছাড়া আমার দেশে পৌছিবার আর কোনো উপায় নাই। যিনি তোমার চক্ষু ভালো করিয়া দিয়াছেন, আমি তোমাকে সেই আল্লাহর দোহাই দিয়া একটি ছাগল চাহিতেছি; যেন আমি সেই ছাগল-বেচা টাকা দিয়া দেশে ফিরিয়া যাইতে পারি ।

Class 6 1st Week Assignment Answer

উত্তর : তারপর স্বর্গীয় দূত পূর্বে যে টাকওয়ালা ছিল, তার কাছে গেলেন। সেখানে গিয়ে আগের মতাে একটি গাভি চাইলেন। সেও ধবল রােগীর মতাে তাকে কিছুই দিলনা। তখন স্বর্গীয়দূত বললেন, আচ্ছা, যদি তুমি মিথ্যা বলে থাক, তবে যেমন ছিলে আল্লাহ তােমাকে আবার তেমন করবেন।

তারপর স্বর্গীয়দূত পূর্বে যে অন্ধছিল, তার কাছে গিয়ে বললেন, আমি এক বিদেশি। বিদেশে আমার সম্বল ফুরিয়ে গিয়েছে । এখন আল্লাহর দয়া ছাড়া আমার দেশে পৌঁছানোর আর কোনাে উপায় নেই। যিনি তােমার চোখ ভালাে করে দিয়েছেন, আমি তােমাকে সেই আল্লাহর দোহাই দিয়ে একটি ছাগল চাচ্ছি; যেন আমি সেই ছাগল-বেচা টাকা দিয়ে দেশে ফিরে যেতে পারি।

৬ষ্ঠ শ্রেণি বিষয়ঃ ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

Class 6 Islam Religion Assignment Answer

প্রশ্নঃ তোমার চারপাশের নানা নিদর্শন উল্লেখসহ কালিমা তায়্যিবা ও কালিমা শাহাদাতের আলোকে আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদের উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর?

উত্তরঃ তাওহিদ আরবি শব্দ। বাংলা ভাষায় একে বলা হয় একত্ববাদ। আল্লাহ তায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে বিশ্বাস করাকে তাওহিদ বা একত্ববাদ বলা হয়।

আল্লাহ তায়ালাই একমাত্র সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা। তিনি ব্যতীত ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই। তিনিই হলেন একমাত্র ইলাহ। আল্লাহ তায়ালার প্রতি এরূপ বিশ্বাসই হলো তাওহিদ।

আমাদের চারপাশে সুন্দর সুন্দর ফুল, ফল, গাছপালা, তরুলতা, পশুপাখি ইত্যাদি রয়েছে। এছাড়া রয়েছে নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গল, সাগর-মহাসাগর।

আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না এমন অনেক বস্তু এবং প্রাণী ও রয়েছে। এসব কিছুই সৃষ্টি জগতের অন্তর্গত।

এগুলো সৃষ্টিকর্তা ছাড়া নিজে থেকে সৃষ্টি হয়নি। নিশ্চয়ই একজন স্রষ্টা এগুলো সৃষ্টি করেছেন। তিনি হলেন মহান আল্লাহ। তিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। তার কোন সাহায্যকারী প্রয়োজন হয়নি।

কালিমা তায়্যিবা অর্থ হলো পবিত্র বাক্য। এটি তাওহিদ, ইমান ও ইসলামের মূলভিত্তি।

উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ বা মাবুদ নেই, মুহাম্মদ (স.) আল্লাহর রাসূল।

এ কালিমা স্বীকার না করলে কেউ ইসলামে প্রবেশ করতে পারে না। এ কালিমার দুটি অংশ।

প্রথম অংশে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও একত্ববাদের কথা বলা হয়েছে।

আর দ্বিতীয় অংশে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি বিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে।

তাওহীদের বিশ্বাস এর জন্য প্রয়োজন পবিত্র অন্তর। অর্থাৎ প্রথমে অন্তর থেকে সব রকমের ভুল ও ভ্রান্ত বিশ্বাস দূর করতে হবে। ‘লা-ইলাহা’ দ্বারা এটাই করা হয়।

অতঃপর ‘ইল্লাল্লাহু’ দ্বারা আল্লাহ তায়ালার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা হবে।

চারপাশের নানা নিদর্শন উল্লেখসহ আল্লাহর একত্ববাদের উপর প্রতিবেদন
কালিমা শাহাদাত হলো- সাক্ষ্য দানের বাক্য।

অর্থাৎ, এ কালিমা দ্বারা ইমানের সাক্ষ্য দেওয়া হয়। এ কালিমা উচ্চারণের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদ ও মুহাম্মদ (স.)-এর রিসালাতের সাক্ষ্য প্রদান করা হয়।

উচ্চারণ: আশহাদু আল্ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকালাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মদ (স.) তাঁর (আল্লাহর) বান্দা ও রাসুল।

এ কালিমাও দুটি অংশে বিভক্ত।

এর প্রথম অংশে তাওহিদ বা একত্ববাদের সাক্ষ্য দেওয়া হয়।

আর দ্বিতীয় অংশে মুহাম্মদ (স.)-এর রিসালাতের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

কালিমা শাহাদাত এর মাধ্যমে আমরা এ দুটো কাজই করতে পারি।

তা ছাড়াও মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি আমাদের বিশ্বাসের প্রমান দিতে পারি।

তাওহিদ বা আল্লাহ তা’আলার একত্ববাদে বিশ্বাস আকাইদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ইসলাম ও ঈমানের মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ।

তাওহীদে বিশ্বাস না করলে কেউ মুমিন বা মুসলিম হতে পারে না।

সকল নবী-রাসুল (আ.) তাওহীদের দাওয়াত দিয়েছেন। সকলেই ঘোষণা করেছেন যে, আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্বিতীয়। তাঁর তুল্য কিছুই নেই।

তাওহীদে বিশ্বাস মানুষকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান করে। আর তাওহীদে বিশ্বাসীগণ আখিরাতে জান্নাত লাভ করবে।

Hindhu Religion Assignment Question & Answer

প্রশ্নঃ জীবে প্রেম করার মধ্য দিয়ে কিভাবে ঈশ্বরের সেবা করা যায় তা তোমার অথবা পারিবারিক জীবনে জীব সেবার কোনো অভিজ্ঞতা বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন কর?

মূল বক্তব্যঃ প্রতিটি জীবের মধ্যে ঈশ্বর পরম আত্মারূপে বিরাজমান । তাই জীবের সেবা করলে পরোক্ষভাবে ঈশ্বরেরই সেবা করা হয়। বস্তুত জীবের প্রতি আন্তরিক না হলে ঈশ্বরের নৈকট্য লাভ করা সম্ভব নয়। স্বয়ং ঈশ্বরের সৃষ্টিকে ভালোবাসার মাধ্যমেই কেবল ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করা সম্ভব।

বিস্তারিত অর্থঃ মহাবিশ্বে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে সবই ঈশ্বরের সৃষ্টি। সমস্ত জীবজগৎ তিনিই সৃষ্টি করেছেন পরম যত্নে নিয়ে, যেমন পরম ভালোবাসায় তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে। তাঁর মহাশক্তির অন্ততঃ কিঞ্চিৎ ক্ষুদ্রাংশ শক্তি জীবজগতের তাঁর সৃষ্ট প্রত্যেক জীবের মধ্যেই বিরাজমান। অর্থাৎ জীবজগতের সবকিছুর মধ্যেই তাঁর শক্তির এবং তাঁর অস্তিত্বের উপস্থিতি রয়েছে। কাজেই প্রত্যেক জীবের প্রতি দয়া পদর্শন করা আমাদের প্রত্যেকেরই পরম কর্তব্য। কেননা জীবসেবা করলেই প্রকারান্তরে স্রষ্টার সেবা করা হয়। প্রত্যেক জীবের প্রতি যত্নবান হলে এবং তাদের ভালোবাসলে, তবেই সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করা হয়।

এ জন্যেই স্বমী বিবেকানন্দ বলেছেন- “জীবে প্রেম করে যেই জন / সেই জন সেবিছে ঈশ্বর

সংসারের সবকিছুর স্পর্শের মাধ্যমেই ঈশ্বরের আরাধনা করা যায়। লোকচক্ষুর অন্তরালে নির্জনে একাকী ধ্যানমগ্ন হলেই সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্য লাভ করা যায় না, কারণ সেই আরাধনাতে পূর্ণরূপে ঈশ্বর প্রাপ্তি হয় না। স্রষ্টা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন মানবীয় গুণাবলি দিয়ে, জ্ঞান, বিবেক ও বুদ্ধি দিয়ে। যে কারণে জীবজগতের মধ্যে মানুষই শ্রেষ্ঠ জীব। কাজেই সেরা হিসেবে মানুষের প্রতি যেমন মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে, তেমনি প্রতিটি অন্যান্য জীবের প্রতিও রয়েছে সমান দায়িত্ব এবং কর্তব্য। জীবে সেবা না করে শুধুই ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন হলে প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরের আশীর্বাদ লাভ করা যায় না।

জীবজগৎ নিধনে ব্যাপৃত হলে একসময় মনুষ্যজীবনও বিপন্ন হয়ে পড়ে। এজন্য বৌদ্ধধর্মে বলা হয়েছে “জীবহত্যা মহাপাপ”। কথাটা বর্তমান পৃথিবীতে অধিকতর প্রণিধানযোগ্য। উদ্ভিদ ও জীবজগৎ ধ্বংস করার ফলে এই পৃথিবীর পার্থিব পরিবেশ ক্রমশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। আর তার প্রায়শ্চিত্ত করতে হচ্ছে কিন্তু মানুষকেই। অর্থাৎ জীবজগৎ ধ্বংস করার ফলেও সবচেয়ে বেশি কুপ্রভাব পড়ছে কিন্তু মানুষের উপরেই। এই পৃথিবীতে মানুষের জীবনই ক্রমশ দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। মানুষ তার মনবতাবোধের সক্রিয়তায় অসাম্য, বিভেদ, লোভ, হিংসা দূর করার পরিবর্তে নিজেই হয়ে উঠছে লোভী, স্বার্থপর, হিংস্র। তাই সে জীবকে অবজ্ঞা ও অবহেলা করলে, জীবের প্রতি অমানবিক হলে আসলে ঈশ্বরকেই অবজ্ঞা করা হয় – এই বোধ আমাদেরকে লালন পালন করতে হবে। আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে জীবসেবায়, জীবকে ভালোবাসায়। …

স্রষ্টার সৃষ্টির মধ্যে মনুষই সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। বিভিন্ন সমাজের মানুষ বিভিন্নভাবে স্রষ্টার আরাধনা করে থাকে। আরাধনার পদ্ধতিতে যথেষ্ট ব্যবধানও দেখা যায়। যদিও তার উদ্দেশ্য কিন্তু এক এবং অভিন্ন এবং তা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তাকে সন্তষ্ট করা। পৃথিবীতে বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন মহান মনিষীর আবির্ভাব ঘটেছে। বিভিন্ন ধর্মের অবতারণা হয়েছে এবং আরাধনার বিভিন্ন প্রকৃতি ও পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। স্রষ্টার সান্নিধ্য পাওয়া বা স্রষ্টার সন্তুষ্টি বিধানই কিন্তু সবার একমাত্র উদ্দেশ্য। এতদৃসত্ত্বে, সাধারণ মানুষের পক্ষে স্রষ্টার প্রকৃত অস্তিত্ব আবিষ্কার করা সম্ভব হয়। কারণ নিরাকার, অক্ষয়, অব্যয় সৃষ্টিকর্তা চিরদিন আমাদের সংস্পর্শের বাইরে, তাই আমরা নানাভাবে নানা জায়গায় তার সন্ধানে ঘুরে বেড়াই সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়া।

পৃথিবীর মধ্যযুগের সকল মনীষী ও ধর্মগুরুই এই বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেন যেই, স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের জন্য দেশ দেশান্তরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রতিটি সৃষ্ট জীবের মধ্যেই নিহিত রহিয়াছে। সুতরাং সৃষ্টির সেবায় যিনি নিজকে সম্পূর্ণরূপে উৎসর্গ করতে পারেন, তিনিই স্রষ্টার নৈকট্য লাভে সক্ষম হন। যে ব্যক্তি প্রতিনিয়ত আর্তক্লিষ্ট ও নিপীড়িত মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে সক্ষম হয়েছেন, তিনিই প্রকৃতপক্ষে স্রষ্টার সর্বশ্রেষ্ঠ উপাসক ও সাধক। কোয়ারা হতে

Class 6 Math Assignment Answer

Up-Comming Math Que: and Ans: Wait & See

1st Week Assignment Question & Answer

Class 6 Buddhism Assignment Solution

Class Six All week Assignment Answer

বি:দ্র: এই পেজে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে।সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত কমেন্ট -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি । 

 

Recent circular

শিক্ষা সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Job Circular

Never miss a job opportunity

Get Apply For Jobs 24 on your phone

  • Access 1000s of jobs, on the go
  • Filtering to find the jobs that suit you
  • Apply directly and in real time

Applyforjobs24.Com Is A Fast Growing Bangladeshi Job Portal That Helps Jobseekers From All Sectors And Experience Levels, Such As Govt. And NGO. Jobs, Multi-National Jobs, Part-Time Jobs Part-Time Jobs (Especially Meant For..

FOLLOW
Download Mobile App