৭ম শ্রেণী ইসলাম শিক্ষা সমাধান – ১ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট

৭ম শ্রেণী ইসলাম শিক্ষা সমাধান

৭ম শ্রেণীর ইসলাম শিক্ষা সমাধান । মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১- ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ১ম নির্ধারিত কাজ (Assignment) (১ম সপ্তাহের জন্য)। নতুন করে সকল শ্রেণির পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে অ্যাসাইনমেন্ট ও মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এই কার্যক্রম আগামী ২০ মার্চ থেকে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর করতে হবে । ইতিমধ্যে আ্যাসাইনমেন্ট এর কাজ শুরু হয়ে গেছে ।

Class 7 Islamic Studies Assignment Answer

তাই সকল শ্রেণির এসাইনমেন্ট এবং সমাধান নিয়ে আমরা আপনাদের সাথেই আছি applyforjobs24.com এখানে ‍Shikha News ক্যাটাগরিতে  আপনারা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ইং – ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত সকল বিষয়ের সমাধান পাবেন( প্রতি সপ্তাহের ) খুব সহজেই সবার আগে সংগ্রহ করতে পারবেন । শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা  অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর (7th Grade Islam Religion Assignment Solution)সংগ্রহ। নিচে দেখুনঃ

৭ম শ্রেণী ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট

৭ম শ্রেণী ইসলাম ধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান

সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট এর সমাধান আমাদের ওয়েবসাইটে applyforjobs24.com  প্রকাশ করা হয়েছে। যে সকল শিক্ষার্থী ৭ম শ্রেণীতে পড়াশুনা করে তাদের জন্য আমাদের ওয়েবসাইটের দক্ষ লেখক দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এসাইনমেন্ট এর সমাধান । যে সকল শিক্ষার্থী সপ্তম শ্রেণীর ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট পেতে চাচ্ছো তারা আমাদের ওয়েবসাইটের নিচে গিয়ে পেয়ে যাবে। আমাদের ওয়েবসাইটে তোমরা খুব সহজে এবং সম্পূর্ন বিনামূল্যে সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ক অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান দেখতে পারবে ।

Islamic Studies Assignment

সপ্তম শ্রেণীর ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে যে অ্যাসাইনমেন্ট নির্ধারিত কাজ করতে বলা হয়েছে সেটি হলোঃ-

“আমাদের চারপাশে সৃষ্টি জগতের মধ্যে মহান আল্লাহ তা’আলার একত্ববাদ এর অসংখ্য নমুনা বিদ্যমান। বাস্তব উদাহরণ সহ একত্ববাদ এর প্রমাণ উল্লেখ করে একটি পোস্টার তৈরি করো।”

৭ম শ্রেণী ইসলাম শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট ১০০% সমাধান

একত্ববাদ এর প্রমাণ

পোস্টারঃ

একত্ববাদের আরবি প্রতিশব্দ হলো তাওহীদ। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহ তায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে স্বীকার করে নেওয়াকে তাওহিদ বলা হয়। তাওহিদের মূল কথা হলো আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্ধিতীয়। তিনি তার সত্তা ও গুণাবলিতে অদ্ভিতীয়। তিনিই প্রশংসা ও ইবাদতের একমাত্র মালিক। তার তুলনীয় কেউ নেই।

আল্লাহ তায়ালা বলেন:- “বলুন, তিনিই আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয় ” (সূরা আল-ইখলাস, আয়াত-১)

আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিযিকদাতা ও ইবাদতের যোগ্য এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে বিশ্বাসের নামই তাওহিদ।ইমনের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান ৰিষয় হলো তাওহিদ। অর্থাৎ মুমিন ৰা মুসলিম হতে হলে একজন মানুষকে সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদে বিশ্বাস করতে হবে। তাওহিদে বিশ্বাস ব্যতীত কোনো ব্যক্তিই ইমান বা ইসলামে প্রবেশ করতে পারে না। ইসলামের সকল শিক্ষা ও আদর্শই তাওহিদের উপর প্রতিষ্ঠিত। দুনিয়াতে যত নবী-রাসুল এসেছেন সকলেই তাওহিদের দাওয়াত দিয়েছেন। সকলের দাওয়াতের মূলকথা ছিল – লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বা আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। তাওহিদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠার জন্য নবী-রাসুলগণ আজীৰন সংগ্রাম করেছেন। হযরত ইবরাহিম (আ:) অগ্নিকুন্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন। আমাদের প্রিয় নবী (সা:) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছেন। বস্তুত, তাওহিদই হলো ইমানের মূল। ইসলামে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

Assignment Answer

আমরা একটু গভীরভাবে চিন্তা করি তবে দেখতে পাবো কত বিশাল এ বিশ্বজগৎ। আমাদের পৃথিবী এর সামান্য অংশমাত্র ৷ গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, নীহারিকা, গ্যালাক্সি এ বিশ্বজ্রগতে বিরাজমান । এগুলোর প্রত্যেকটি সু-শৃংখলভাবে ঘুরছে। কোনটি এর নিধাঁরিত নিয়মের বাইরে যাচ্ছে না। আমাদের পৃথিবী কত সুন্দর । এতে রয়েছে বিশাল আকাশ, বিস্তৃত মাঠ, বড পাহাড় পর্বত, প্রবাহমান নদী নালা, সাগর মহাসাগর । আল্লাহ তা’আলাই এসব কিছুর সৃষ্টিকর্তা ও নিয়ন্ত্রন কারী । মহাজগতের নিয়ম-শৃঙ্খলা তাঁরই দান । পৃথিবীর সকল কিছুর ইচ্ছা করেন তাই হয়। এ সবকিছুতে যদি একের বেশি নিয়ন্ত্রন কারী থাকতো, তবে নানা রকম বিশুঙ্খলা দেখা দিত।

এই বিষয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন:- “যদি আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীতে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ থাকতো তবে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যেত। (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত-২২)

অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান

বিশ্বে কি দু’জন ইলাহ থাকা সম্ভব? মানুষের বিবেক সর্বদা একথা স্বীকার করতে বাধ্য যে, এ বিশ্বে একজনই মাত্র ইলাহ আছেন। নতুবা যদি দুজন বা একাধিক ইলাহ থাকত – তর্কের খাতিরে ধরে নেয়া হলে- তাহলে প্রশ্ন দেখা দিতঃ যখন দুজনের মতে বিরোধ দেখা দিবে, বা দুজনই তাঁর নিজের ইচ্ছা পূরন করতে চাইবে তখন কি হবে? একজন একটি আদেশ দিবে আর অন্যজন এর বিপরীত আদেশ দিবে?! তখন একজনকেঅন্যজনের উপর জয়ী হতে হবে। আর একজন জয়ী হলে অন্যজন স্বাভাবিকভাবেই অক্ষম হবেন। আর একজন অক্ষম ব্যক্তি কি ইলাহ হতে পারেন? তাছাড়া একাধিক শ্রষ্টা থাকলে তারা তাদের সৃষ্টি কে নিয়ে আলাদা হয়ে যেতেন। যেমন আগুনের স্রষ্টা আগুন নিজ সৃষ্টি দ্বারা অন্যের উপর বিজয়ী হতে চাইতেন। সেরকম সূর্য দেবতা আলো দেওয়া বন্ধ করে দিতেন। অর্থ্যাৎ এভাবে ভাবলে দেখা যাবে প্রত্যেকটা জিনিসের একটি করে দেবতা তৈরি হবে। এবং তারা মারিমারিতে লিপ্ত হতো। ফলে আমাদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যেত। পৃথিবীর সকল কিছুই ধ্বংস হয়ে যেত। তাহলে একথা প্রমাণিত হলো যে, এ মহাবিশ্বে একজনই ইলাহা আছেন।

উপরের আলোচনা থেকে একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় ইলাহ মাত্র একজনই । আর তিনি হলেন আল্লাহ তায়ালা । তিনি সকল কিছুর স্রষ্টা, নিয়ন্ত্রক ও পালনকর্তা । তাঁর হুকুম ও নিয়মেই সবকিছু পরিচালিত হয়। কোন সৃষ্টিই এ নিয়মের ব্যতিক্রম করতে পারে না। এসব কাজে তিনি একক ও অদ্বিতীয় । আন্তরিকভাবে এরূপ বিশ্বাসের নামই তাওহীদ বা একত্ববাদ। আর আমাদের সকলকে এই তাওহীদে বিশ্বাস করতে হবে।

১ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

About ApplyForJob

Check Also

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে - যুক্তরাষ্ট্র বলা হয় কেন, জানেন কি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে – যুক্তরাষ্ট্র বলা হয় কেন, জানেন কি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে – যুক্তরাষ্ট্র বলা হয় কেন, জানেন কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে – যুক্তরাষ্ট্র বলা হয় …

Leave a Reply