ষষ্ঠ শ্রেণির হিন্দুধর্ম এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

ষষ্ঠ শ্রেণির হিন্দুধর্ম এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

হিন্দুধর্ম এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ১ম নির্ধারিত কাজ (Assignment) (১ম সপ্তাহের জন্য)। নতুন করে সকল শ্রেণির পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে অ্যাসাইনমেন্ট ও মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এই কার্যক্রম আগামী ২০ মার্চ থেকে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর করতে হবে । ইতিমধ্যে আ্যাসাইনমেন্ট এর কাজ শুরু হয়ে গেছে ।

Class 6 Hinduism Assignment Answer

তাই সকল শ্রেণির এসাইনমেন্ট এবং সমাধান নিয়ে আমরা আপনাদের সাথেই আছি applyforjobs24.com এখানে ‍Shikha News ক্যাটাগরিতে  আপনারা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ইং – ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত সকল বিষয়ের সমাধান পাবেন( প্রতি সপ্তাহের ) খুব সহজেই সবার আগে সংগ্রহ করতে পারবেন । ষষ্ঠ শ্রেণি হিন্দুধর্ম এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর সংগ্রহ। নিচে দেখুনঃ

ষষ্ঠ শ্রেণির হিন্দুধর্ম এ্যাসাইনমেন্ট

প্রশ্ন: জীবে প্রেম করার মধ্যে দিয়ে কিভাবে ইশ্বরের ,সেবা করা যায় তা তোমার  অভিজ্ঞতার আলোতে উপস্থাপন কর ?

উত্তর: স্রষ্টার সন্তুষ্টি বিধানের একমাত্র পথ হচ্ছে তাঁর সৃষ্টিকে ভালােবাসা।পৃথিবীর সবাকছুই নিরন্তর নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে যাচ্ছে। মানুষের প্রধান কর্তব্য হচ্ছে স্রষ্টার উপাসনা করা । বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন উপায়ে স্রষ্টার উপাসনা করা যায়। তার মধ্যে স্রষ্টাকে পাওয়ার শ্রেষ্ঠ পথ তাঁর সৃষ্ট জীবকে ভালােবাসা। মানুষকে ভালােবাসার মাধ্যমে স্রষ্টাকে উপলব্ধি সহজতর হয়। প্রত্যেক সৃষ্টির মধ্যেই, সৃষ্টিকর্তা বিরাজমান। এ সত্য প্রত্যেক মহাপ্রাণ মনীষী, ধর্মপ্রবর্তক, লােকহিতৈষী এক বাক্যে স্বীকার করেছেন। বিধাতা গভীর ভালােবাসায় এই সুবিশাল বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করেছেন। বিশ্বের সৃষ্টির মধ্যে যা কিছু রয়েছে, তার প্রতি ভালােবাসা প্রকাশ করলে সৃষ্টিকর্তা মানুষের প্রতি খুশি হন।

হিন্দুধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ৬ষ্ঠ শ্রেনি

জীবের প্রতি ভালােবাসার পথ ধরেই স্রষ্টাকে খোজ করার নির্দেশনা রয়েছে ধর্মীয়ভাবে। তাই মানুষের প্রথম কর্তব্য জীবে দয়া করা। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন যে, জীব সেবাই ঈশ্বর সেবা । তাই জীব সেবা বাদ দিয়ে যদি কেউ ঈশ্বরের সেবা করতে। যায়, ঈশ্বর তাতে সন্তুষ্ট হতে পারে না। মহামানবদের মুখনিঃসৃত বাণী-মানুষকে সেবা করা, সাহচর্য দেওয়া ও ভালােবাসা হলাে। শ্রেষ্ঠ ধর্ম । যার শুভাশিসে সৃষ্টি ধন্য, এ জগৎ পরিব্যাপ্ত, জীব সেবা তাে তারই সেবা।সৃষ্টির ভেতর দিয়েই স্রষ্টার প্রকাশ, তাই তাঁর সৃষ্ট জীবকে সেবা করলে প্রকারান্তরে তাঁকেই সেবা করা হয়।

জীবে প্রেম করে যেইজন সেইজন সেবিছে ঈশ্বরঃ জীবে প্রেম করা আমাদের সকলের উচিৎ। সকলকে সমান ভাবে ভালোবেসে সম্মান দিয়ে বসবাস করলে সুন্দর হবে পৃথিবী দুর হবে হিংসা অহংকার ।
ভারতীয় অধ্যায়মসাধনার মর্মবাণী হল সৃষ্টিতে স্রষ্টার উপলব্ধি, বিশ্বরূপে বিশ্বনাথের অবস্থিতিদর্শন। ঈশােপনিষদের প্রথম শ্লোকেই বলা হয়েছে, এই পরিদৃশ্যমান জগতের। সব কিছু ঈশ্বরের দ্বারা আচ্ছাদিত। শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ এই বিশ্বের মানুষকে অমৃতের পুত্র বলে সম্বোধন করেছে। মহাভারত ঘােষণা করেছে মানুষের চেয়ে মহত্তর কিছু নেই। কিন্তু এই সমস্ত ঘােষণার মর্মমূলে যে সত্যটি নিহিত আছে, তা হল সর্বভূতে ঈশ্বরসত্তার অনুভব। সর্বজীবে, সর্বমানবে ঈশ্বরের প্রকাশ দেখলে, কাউকে ঘৃণা অবহেলার প্রশ্নই আসে না। যিনি সর্বভূতকে আত্ম্বরূপ দেখেন এবং আত্মাকে সর্বভূতে বিদ্যমান দেখেন, তিনি কখনাে বিজুগুপ্সার বশবর্তী হন না। এই অনুভবে অন্তর পরিশুদ্ধ হলে মঠে-মন্দিরে বহুবিধ আচার আর উপাচার সহযােগে ঈশ্বরের আরাধনা করার প্রয়ােজন হয় না। একটি দরিদ্র, ক্ষুধার্ত মানুষকে সেবা করলে মনে হবে ঈশ্বরেরই সেবা করা হল। একটি বিপন্ন জীবকে সহায়তা করে দেবার্চনার আনন্দ লাভ করা সম্ভব। ঈশ্বর দরিদ্ররূপে জগতের দ্বারে দ্বারে পরিভ্রমণরত। একজন গৃহহীনকে গৃহ দিলে তিনি সেই ঘরে আপনার আসন পেতে নেন। সর্বভূতে ঈশ্বরবুদ্ধি জাগ্রত হলে মানুষের হৃদয় সীমাহীন প্রেমে পরিপূর্ণ হয়। সেই প্রেমের প্রেরণাতেই মানুষ আর্তের সেবাকে ঈশ্বরপূজার অন্যতর রূপ বলে মনে করে ।

তাঁর মহাশক্তির অন্ততঃ কিঞ্চিৎ ক্ষুদ্রাংশ শক্তি জীবজগতের তাঁর সৃষ্ট প্রত্যেক জীবের মধ্যেই বিরাজমান। এ জন্যেই স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন- “জীবে প্রেম করে যেই জন / সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” সংসারের সবকিছুর স্পর্শের মাধ্যমেই ঈশ্বরের আরাধনা করা যায়।

About ApplyForJob

Check Also

মহাদেশ ও মহাসাগর কয়টি ও কি কি

মহাদেশ ও মহাসাগর কয়টি ও কি কি

মহাদেশ ও মহাসাগর কয়টি ও কি কি মহাদেশ গুলোর নাম: আমরা পৃথিবীতে বসবাস করি, এই …